পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক

বিদ্যুতের সুদক্ষ ব্যবহার এবং জলবায়ুর প্রতি সুবিচার- দ্বৈত এই উদ্দেশ্য পূরণ করতে দেশে শক্তিক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার লক্ষে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে : শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

Posted On: 11 DEC 2018 6:03PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮

 

      আর্থিক বিকাশে শক্তিক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে ওঠার দরুন বিদ্যুতের সুদক্ষ ব্যবহার এবং জলবায়ুর প্রতি সুবিচারের মতো বিষয়ে দ্বৈত উদ্দেশ্য পূরণ করতে দেশের শক্তিক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার লক্ষকে সরকার গুরুত্ব দিয়ে আসছে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নতুন দিল্লীতে আজ এক অনুষ্ঠানে শ্রী প্রধান আরও বলেন, ভারতের বিদ্যু ক্ষেত্র এক নতুন যুগের সূচনার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সকলের নাগালে বিদ্যু সংযোগ, বিদ্যুতের ব্যবহারে দক্ষতা, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে স্হিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা- বিদ্যু ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত এই চারটি স্তম্ভকে ভবিষ্যৎ স্হিতিশীলতার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসাবে দেখা হচ্ছে। শ্রী প্রধান বিদ্যু ক্ষেত্রে সংস্কার, এই ক্ষেত্রের কার্যসম্পাদন এবং পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি আরও জানান, চার বছরের সময়কালে বিদ্যু ক্ষেত্রের সংস্কারে সরকার একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে এবং এই উদ্যোগগুলির ফলে সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়েছে। সারা বিশ্বে গড় বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় বর্তমানে ভারতে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার এক তৃতীয়াংশ। বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারে পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। শ্রী প্রধান বলেন, নতুন ভারত গঠনে দূষণমুক্ত ও সুলভমূল্যে সকলের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়ে মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তনসাধন করাই প্রধানমন্ত্রী মোদীর লক্ষ্য। ২০৪০ নাগাদ দেশে বিদ্যুতের চাহিদা তিনগুন বাড়বে বলেও তিনি অভিমত প্রকাশ করেন। কার্বন নিঃসরণ প্রসঙ্গে শ্রী প্রধান জানান, ২০৩০ নাগাদ কেন্দ্রীয় সরকার কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ জিডিপি-এর ৩৩ শতাংশ কমাতে বদ্ধপরিকর। শহরভিত্তিক গ্যাস বন্টন প্রকল্প সম্পর্কে শ্রী প্রধান জানান, ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ জগদীশপুর-হলদিয়া এবং বোকারো-ধামরা পাইপলাইন প্রকল্পের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে ৬ কোটি গরিব মহিলার জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে বলেও তিনি জানান। বিগত চার বছরে অতিরিক্ত ১২ কোটি ৫০ লক্ষ রান্নার গ্যাসের সংযোগ দেওয়ার ফলে দেশে রান্নার গ্যাসের পরিধি বেড়ে ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। গ্যাস বন্টন প্রকল্পের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে খুব শীঘ্রই একটি গ্যাস ট্রেডিং হাব গড়ে তোলা হবে। এর ফলে, সরবরাহকারী ক্রেতাদের কাছে সহজেই গ্যাস পৌঁছে যাবে। এই উদ্যোগ ভারতকে তার নিজস্ব গ্যাস ভিত্তিক হাব গড়ে তুলতে সাহায্য করবে বলেও শ্রী প্রধান জানান।

 

SSS/BD/NS



(Release ID: 1555537) Visitor Counter : 3

Read this release in: English