প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর

বারাণসীতে বিবিধ উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

Posted On: 22 FEB 2019 6:29PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৯ফেব্রুয়ারি,২০১৯

 

 

আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,

 

সবার আগে আমি পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী আক্রমণে শহীদ জওয়ানদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। তাঁরা দেশের সেবা করতে গিয়ে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। এই দুঃখের সময়ে তাঁদের পরিবারবর্গের প্রতি আমার এবং সমস্ত ভারতবাসীর সমবেদনা জানাই। এই সময়ে কাশীর প্রত্যেক নাগরিক, দেশের প্রত্যেক নাগরিক তাঁদের পাশে রয়েছেন। কাশীর জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি রূপে এবং দেশের প্রধান সেবক রূপে আমি দেশবাসীর ভাবনারও প্রতিনিধি। দেশ রক্ষার জন্য নিজেদের আত্মীয়-পরিজনকে উৎসর্গ করা, প্রত্যেক পরিবারের প্রতি আমরা সবাই চিরকাল ঋণী থাকব। আমি আজ এখানে বাবা বিশ্বনাথ এবং মা গঙ্গার কাছে তাঁদের এই ঋণ পরিশোধের শক্তি পাবার আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে এবং আপনাদের সকলের আশীর্বাদ চাইতে এসেছি।

 

আজ স্বরাজ, স্বাধীনতা, স্বাবলম্বন এবং শৌর্যের প্রতীক ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আমি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানাই। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ তাঁর সুশাসনের মাধ্যমে আমাদের যে পথ দেখিয়ে গেছেন, সেই পথ অবলম্বন করলেই আমরা একটি শক্তিশালী দেশ গঠন করতে পারব।

 

বন্ধুগণ, এই প্রক্রিয়ায় আজ বারাণসীতে ৩ হাজার কোটি টাকারও অধিক বিনিয়োগে নির্মিত কিংবা নির্মীয়মান বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করা হয়েছে। এখানে আসার আগে আমি আরও তিনটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে এসেছি। সবার আগে ডিএলডব্লিউ ময়দানে রেলের একটি কর্মসূচি ছিল। তারপর, সন্ত রবিদাসের মন্দির দর্শনের পর তাঁর জন্মস্থান সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যায়ন সম্প্রসারণ প্রকল্পের শিলান্যাস করেছি। এরপর, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করেছি। আর এখানে সাধারণ মানুষের জীবনকে সহজ ও সুগম করে তোলা বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাসের সৌভাগ্য হয়েছে। এই সকল প্রকল্পের জন্য আমি কাশীর সমস্ত ভাই ও বোনদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

ভাই ও বোনেরা, আমরা কাশীকে নতুন ভারতের নতুন প্রাণশক্তির কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার পথে আজ আরেকটি পর্যায় অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছি। একটু আগেই এখানে এমন একটি রেল ইঞ্জিনকে সবুজ পতাকা দেখানোর সৌভাগ্য আমার হয়েছে, যেটি আগে ডিজেল দিয়ে চলতো আর এখন বিদ্যুতের মাধ্যমে চলবে। শুধু তাই নয়, এর শক্তিও এখন দুটো পুরনো ডিজেল ইঞ্জিনের মিলিত শক্তির চেয়ে বেশি। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বে এহেন প্রয়োগ প্রথমবার ডিএলডব্লিউ-তে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

বন্ধুগণ, ভারতীয় বৈজ্ঞানিক এবং ইঞ্জিনিয়াররা ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র মাধ্যমে এই সাফল্যের জন্য ভারতবাসীকে গর্বিত করেছে। এই সফল প্রয়োগ ভারতীয় রেলওয়ের ক্ষমতা ও গতি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এই বিরাট সাফল্যের জন্য আমি এর নক্‌শা থেকে শুরু করে নির্মাণের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এর সঙ্গে যাঁরা জড়িত ছিলেন, পুরো টিমকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ আমার কাশীর মাটিতে হয়েছে।

 

বন্ধুগণ, ভারতীয় রেলকে আপাদমস্তক পরিবর্তনকারী এরকম অনেক পদক্ষেপ বিগত সারে চার বছরে নেওয়া হয়েছে। দিল্লি থেকে কাশী পর্যন্ত চালু হওয়া সেমি হাইস্পীড রেল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এর আরেকটি বড় উদাহরণ। এই রেল নিয়ে আমার কাছে অনেক চিঠি এসেছে। দেশের মানুষ অনেক উৎসাহ ও গর্বের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, এত দশক পর দেশ একটি বিশ্ব মানের রেলগাড়ি পেয়েছেন। কিন্তু এই ট্রেন নিয়েও কিছু মানুষ যেভাবে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করছেন – তা অত্যন্ত দুঃখজনক।

 

আমার কাছে যাঁরা চিঠি লিখেছেন, তাঁরাও অনেকে এই ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা একে দেশের প্রত্যেক ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রযুক্তিবিদের অপমান বলে মনে করছেন। দেশের উন্নয়ন নিয়ে মজা করার এই মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সম্পর্কে দেশের যুবসম্প্রদায় সতর্ক থাকবেন। আপনারাই বলুন, তাঁরা কি এটা ঠিক কাজ করছেন? সঠিক সময়ে তাঁদের সঠিক শাস্তি পাওয়া উচিৎ কিনা?

 

ভাই ও বোনেরা, আপনারা সবাই যখন দেশের জন্য কোনও কিছু করতে আপ্রাণ পরিশ্রম করছেন, তখন এই নেতিবাচক ভাবনাসম্পন্ন ব্যক্তিদের কথায় হতাশ হবেন না। আমি চেন্নাই রেল কোচ ফ্যাক্টরির ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান এবং প্রত্যেক কর্মচারীকে বলব যে, ভারতবাসী আপনাদের জন্য গর্বিত। আমি আপনাদের পরিশ্রমকে শ্রদ্ধা জানাই। আমি জানি যে, আপনারাই আগামীদিনে দেশে বুলেট ট্রেনের মতো উচ্চগতিসম্পন্ন রেলগাড়ি নির্মাণ করবেন এবং চালাবেন।

 

রেলের উদ্দীপ্ত ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মচারী ও শ্রমিকদের পরিশ্রমেই আজ দেশে দ্রুতগতিতে রেল লাইন বিছানোর কাজ এবং ডবল লাইন নির্মাণ কিংবা বৈদ্যুতিকীকরণের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রয়াগরাজ এবং বেনারসের মধ্যে ১২৩ কিলোমিটার সেকশনে বৈদ্যুতিকীকরণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এছাড়া, মন্ডুয়াডিহ – বারাণসী শহর, লোহতা – ভদোহি এবং ভদোহি – জংঘই সেকশনে রেল লাইন ডবল করা হয়েছে। পাশাপাশি, স্টেশনগুলিতেও আধুনিক পরিষেবার অভূতপূর্ব উন্নয়ন আপনারাও হয়তো অনুভব করছেন।

 

ভাই ও বোনেরা, রেলপথের পাশাপাশি, আজ বেশ কিছু সড়কপথের কাজও সম্পূর্ণ হয়েছে কিংবা সূত্রপাত হয়েছে। পঞ্চকোশী মার্গ-ও এখন নতুন রূপে পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রস্তুত। বেনারস ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলিতে সড়ক ও রেলপথে যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নয়ন হওয়ায় এই অঞ্চলের কৃষক ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়েছেন। এই অঞ্চলে নতুন নতুন শিল্প স্থাপনের পথ খুলেছে।

 

বন্ধুগণ, আমরা বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়কেও মহামনার স্বপ্নের মতো শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ করে চলেছি। একটু আগেই বিএইচইউ-র গৌরবময় শতবর্ষের ইতিহাসকে সম্মান জানিয়ে একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া, বিএইচইউ-তে কেন্দ্রীয় অন্বেষণ কেন্দ্র আর বিএইচইউ আইআইটি-তে সুপার কম্প্যুটিং সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে।

 

এই সুপার কম্প্যুটিং সেন্টার ‘পরম শিবায়’ চালু হওয়ায় ন্যাশনাল সুপার কম্প্যুটিং সেন্টারের গতি বাড়বে। এই প্রকল্প ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ও গবেষণা উন্নয়নে পথপ্রদর্শক হয়ে উঠবে।

 

বন্ধুগণ, আজ এখানে দুটি বড় ক্যান্সার হাসপাতালেরও উদ্বোধন হয়েছে। এর মধ্যে একটি বিএইচইউ-তে আর দ্বিতীয়টি লহোরতারা অঞ্চলে চালু হয়েছে। বিএইচইউ ক্যান্সার হাসপাতালটি তৈরি করতে সময় লেগেছে মাত্র ১০ মাস। লহোরতারা হাসপাতালে ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য সর্বাধুনিক সরঞ্জামের অন্যতম ভাবাট্রন স্থাপন করা হয়েছে। আশা করি, দুটি হাসপাতাল মিলেমিশে এই অঞ্চলের ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন ইতিহাস রচনা করবে।

 

বন্ধুগণ, এই পূর্ব উত্তর প্রদেশের ক্যান্সার রোগীদের যথাযথ চিকিৎসার জন্য বাধ্য হয়ে দেশের অন্য বড় শহরগুলিতে যেতে হ’ত। এখন আর যেতে হবে না। এখন আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে প্রতি বছর পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা সুনিশ্চিত হয়েছে। উত্তর প্রদেশের এরকম প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ পরিবারের মধ্যে থেকে ৩৮ হাজার রোগী ইতিমধ্যেই বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেয়েছে।

এই প্রকল্প মাত্র ১৫০ দিন আগে চালু হয়েছে। একটু আগে আমি এরকম অনেক উপকৃতদের সঙ্গে কথা বলেছি। অর্থের অভাবে তাঁরা বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এখান তাঁরা উন্নত চিকিৎসা করতে পারছেন। আপনাদের এই প্রধান সেবক সততার সঙ্গে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত।

 

কিছুক্ষণ পরই আমি অনেক দিব্যাঙ্গ বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাঁদের উপযোগী বেশ কিছু উপকরণ তাদের হাতে তুলে দেব। অবশ্য, কিছুক্ষণ আগে ডিএলডব্লিউ-তে কয়েকজন দিব্যাঙ্গ বন্ধুর সঙ্গে কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে, তাঁরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিভার অধিকারী। আমি তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

 

ভাই ও বোনেরা, স্বাস্থ্যের পাশাপাশি, কাশী ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলির উন্নয়নের কাজ নিরন্তর চলছে। পর্যটন উন্নয়ন থেকে শুরু করে কাশীকে স্মার্ট সিটি গড়ে তুলতে ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড সেন্টার পরিষেবা বেনারসের ভবিষ্যৎ বদলে দেবে। তেমনই, গোইঠহাঁরে সিউরেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু হওয়ায় এখন বরুণা নদীপথে গঙ্গা দূষণ হবে না। এভাবে গঙ্গানদীকে পরিচ্ছন্ন ও নির্মল করে তোলার অভিযান আরও শক্তিশালী হবে। আজ কাশীবাসীর গঙ্গানদীকে পরিচ্ছন্ন ও নির্মল করে তোলার অভিযান সারা বিশ্বে প্রশংসিত।

 

বন্ধুগণ, কাশী যেমন স্মার্ট সিটিতে পরিণত হবে, তেমনই আপনাদের আস্থা ও সংস্কারও বজায় থাকবে। বাবা বিশ্বনাথ মন্দির এলাকার সৌন্দর্যায়নের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। মান-মহলে গড়ে ওঠা ভারচ্যুয়াল মিউজিয়াম পর্যটকদের সামনে কাশীর গৌরবগাথাকে তুলে ধরবে।

 

বন্ধুগণ, দেশে পশুধনের স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য আমাদের সরকার রাষ্ট্রীয় গোকুল মিশন চালু করেছে। এবারের বাজেটে সেই অভিযানকে সম্প্রসারিত করতে রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই আয়োগ গোমাতার রক্ষণা-বেক্ষণ সংশ্লিষ্ট নিয়মকানুনগুলিকে কার্যকর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

 

গোমাতাকে সেবার উদ্দেশে বেনারসে দুটি কানহা কেন্দ্র গড়ে উঠবে। সেগুলির শিলান্যাস আজ হয়েছে।

 

ভাই ও বোনেরা, মৎস্যচাষীদের সুবিধার্থে সরকার এবারের বাজেটে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, মৎস্যচাষ সংক্রান্ত প্রতিটি বিষয়কে লক্ষ্য রাখার জন্য একটি স্বতন্ত্র বিভাগ গড়ে তোলা হবে। সেজন্য ৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আর মৎস্যচাষীরা যাতে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পেতে পারেন, সে ব্যবস্থাও সরকার করেছে।

বন্ধুগণ, আমাদের সরকার দেশের উন্নয়নকে দু-ভাবে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। প্রথমটি হ’ল – পরিকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে হাইওয়ে, রেলওয়ে, এয়ারওয়ে, আইওয়ে এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা উন্নয়ন। দ্বিতীয়টি হ’ল – গরিব, কৃষক, শ্রমিক, মধ্যবিত্ত মা ও বোনেদের জীবনযাত্রা মানোন্নয়ন। এই দৃষ্টিকোণ থেকেই এবারের বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নামক একটি ঐতিহাসিক প্রকল্প এনেছে। এর মাধ্যমে যে কৃষকদের ৫ একরের কম জমি রয়েছে, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর তিন কিস্তিতে ২ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা পৌঁছবে। এর ফলে, উত্তর প্রদেশেরও আনুমানিক ২ কোটি ২৫ লক্ষ কৃষকের মধ্যে ২ কোটি ১৪ লক্ষ কৃষক লাভবান হবেন। অর্থাৎ, উত্তর প্রদেশের প্রতিটি জেলায় ৯৫ শতাংশেরও বেশি কৃষক এই প্রকল্প দ্বারা উপকৃত হবেন। বন্ধুগণ, আগে ১০ বছরে সরকার কৃষকদের ৫০ – ৫৫ হাজার কোটি টাকা কর মকুব করত। পিএম কিষাণ সম্মান যোজনা’র মাধ্যমে আগামী ১০ বছরে সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকা কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি জমা হবে। মাঝে কোনও দালাল থাকবে না।

 

ফলস্বরূপ, উত্তর প্রদেশে প্রায় ২ কোটি ২৫ লক্ষ কৃষক পরিবার সরাস্রি উপকৃত হবে। এই অর্থ দিয়ে তাঁরা বীজ, সার এবং কীটনাশকের খরচ সামলাতে পারবেন। তাঁদেরকে আর মহাজনের কাছে অধিক সুদে ঋণ নিতে যেতে হবে না।

 

ভাই ও বোনেরা, আমাদের কাজের ধরণে মুগ্ধ হয়ে উত্তর প্রদেশের সাধারণ মানুষ বিগত বিধানসভা নির্বাচনে এই রাজ্যেও বিজেপি সরকারকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করেছেন। আজ আপনারা বেনারসে দেখছেন, যে প্রকল্পগুলির আমি শিলান্যাস করেছিলাম, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আজ সেগুলি সম্পূর্ণ করে আপনাদের উৎসর্গ করেছি।  নতুন ভারত নির্মাণের ক্ষেত্রে এই বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করার সূচনাও উত্তর প্রদেশ থেকেই শুরু হয়েছে। আপনাদের এই সকল পরিষেবার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আপনারা বিপুল সংখ্যায় আমাকে আশীর্বাদ দেওয়ার জন্য এসেছেন, সেজন্য আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনারা আমার সঙ্গে দু-হাত তুলে বলুন –

 

ভারতমাতা কি জয়,

 

ভারতমাতা কি জয়,

 

ভারতমাতা কি জয়,

 

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 

 

CG/SB/SB



(Release ID: 1566005) Visitor Counter : 22

Read this release in: English